এই কাহিনী পূর্বেও বহুজন বর্ণনা করেছেন, বর্তমানেও অনেকে এই কাহিনী বলছে, আর ভবিষ্যতেও এই কাহিনীর আবারও বর্ণনা করবে মানুষজন।
সেই কাহিনী বলার আগে যে মুখবন্ধ আবশ্যক, সেটি হল, এই দশকের ক্রান্তিকাল, করোনাকালের। করোনাকাল যেন আমাদের কাছে গরুর জাবর কাটার সময়টুকু নিয়ে হাজির হয়েছিল। সেই জাবর কাটার সময়ে একটু একটু করে ভারতবর্ষের পৌরাণিক বিভিন্ন কাহিনী নিয়ে হাতেখড়ির সূত্রপাত। আর সেই সূত্র ধরেই “কথ-কথা” পত্রিকার অভিজিৎদা’র (অভিজিৎ আচার্য্য) সাথে যোগাযোগ, আর তার হাত ধরে অন্য পত্র/পত্রিকার।
আর এই ভাবেই যোগাযোগ “প্রহর” পত্রিকার জ্যোতির্ময়বাবুর (জ্যোতির্ময় গুপ্ত) সাথে এবং এই পত্রিকায় সিরিজ আকারে প্রথম “কর্ণ” – এর আত্মপ্রকাশ। সময়ের ধারা বেয়ে যোগাযোগ “উবাচ বেলুড়” নাট্য দলের কর্ণধার দীপকদার (দীপক বড়ুয়া) সাথে এবং তাদের দলের একক নাট্য হিসাবে প্রথম “একলব্য” – এর আত্মপ্রকাশ।
এখন বর্তমানে অভিজিৎদা’র ঐকান্তিক ইচ্ছায় সিরিজ আকারে প্রকাশিত “কর্ণ” থেকে মিনি উপন্যাস সাইজের “কর্ণ” ও “একলব্য” নাটক হতে বড়ো গল্পের আকারে “একলব্য” প্রকাশ হয়ে পাঠকের দরবারে।
আশা পাঠকরাই এই দুই কাহিনীর বিচার করবেন।
আশা পাঠকরাই এই দুই কাহিনীর বিচার করবেন।













Reviews
There are no reviews yet.