ভাগ্য যখন ডাকে, তখন অনিচ্ছুক নায়ককেও জেগে উঠতে হয়।
বহু শতাব্দী আগে ভগবান রাম—যিনি সর্বকালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্রাট—একটি প্রায় নিখুঁত সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছিলেন। একসময়ের গর্বিত এই সাম্রাজ্য এবং এর সূর্যবংশী শাসকরা আজ চরম বিপদের সম্মুখীন; কারণ তাদের প্রধান নদী, পবিত্র সরস্বতী, ধীরে ধীরে শুকিয়ে বিলুপ্তির পথে। একই সঙ্গে, পূর্ব দিক থেকে—চন্দ্রবংশীদের ভূমি থেকে—তাদের ওপর নেমে আসছে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা। পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে কারণ চন্দ্রবংশীরা সম্ভবত নাগদের সঙ্গে জোট বেঁধেছে; নাগরা হলো সমাজচ্যুত, বিকৃত শারীরিক গঠনের এক অশুভ জাতি, যারা অসাধারণ যুদ্ধকৌশলে পারদর্শী।
সূর্যবংশীদের একমাত্র ভরসা একটি প্রাচীন কিংবদন্তি: যখন অশুভ শক্তি চরম আকার ধারণ করে, যখন সবকিছু হারানোর উপক্রম হয়, যখন মনে হয় শত্রুরা জয়ী হয়েছে—ঠিক তখনই এক নায়কের আবির্ভাব ঘটবে। তিব্বত থেকে আসা অমার্জিত শিব কি সত্যিই সেই নায়ক? আর সে কি আদৌ সেই নায়ক হতে চায়? কর্তব্য এবং ভালোবাসার টানে ভাগ্যের আহ্বানে সাড়া দিয়ে, শিব কি সূর্যবংশীদের প্রতিশোধের নেতৃত্ব দেবে এবং অশুভ শক্তিকে বিনাশ করবে?
লেখক পরিচিতি
১৯৭৪ সালে জন্মগ্রহণকারী অমীশ একজন ব্যাংকার থেকে লেখক হয়ে ওঠা মানুষ, যিনি আইআইএম (কলকাতা) থেকে পড়াশোনা করেছেন। তাঁর প্রথম বই ‘দ্য ইমমরটালস অফ মেলুহা’ (শিব ট্রিলজির প্রথম খণ্ড)-এর অভাবনীয় সাফল্য তাঁকে আর্থিক খাতের ক্যারিয়ার ছেড়ে লেখালেখিতে পুরোপুরি মনোনিবেশ করতে উৎসাহিত করে। লেখক হওয়ার পাশাপাশি তিনি ভারত সরকারের একজন কূটনীতিক, টেলিভিশন তথ্যচিত্রের উপস্থাপক এবং চলচ্চিত্র প্রযোজকও বটে। ইতিহাস, পুরাণ ও দর্শনের প্রতি অমীশের গভীর আগ্রহ রয়েছে; তিনি বিশ্বের সব ধর্মের মধ্যেই সৌন্দর্য ও অর্থ খুঁজে পান। তাঁর বইগুলো ৬০ লক্ষেরও বেশি কপি বিক্রি হয়েছে এবং ২০টিরও বেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে। ভারতীয় প্রকাশনার ইতিহাসে তাঁর ‘শিব ট্রিলজি’ দ্রুততম সময়ে বিক্রিত বইয়ের সিরিজ এবং ‘রাম চন্দ্র সিরিজ’ দ্বিতীয় দ্রুততম বিক্রিত বইয়ের সিরিজ হিসেবে রেকর্ড গড়েছে।









Reviews
There are no reviews yet.