0 0

Frequently bought together

ব্রিটিশ সরকারের চাকরী বা আদালতে ওকালতির তথাকথিত নিশ্চিন্ত আয়াস ছেড়ে নিজের পায়ে দাঁড়াতে বাঙালিকে বরাবর উদ্বুদ্ধ করে এসেছেন আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়। বাঙালিকে ব্যবসা করতে বলেছেন। শুধু যে বলেই ক্ষান্ত থেকেছেন তা নয়। নিজে করে দেখিয়েছেন। ১৮৯২ সালে একক প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠা করেছেন বেঙ্গল কেমিক্যাল এন্ড ফার্মাসিউটিক্যাল ওয়ার্কস্‌ যা সম্ভবতঃ আমাদের দেশে স্বদেশী উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত প্রথম রাসায়নিক শিল্পপ্রতিষ্ঠান। এর মাত্র তিন বছর আগে বিদেশ থেকে উচ্চশিক্ষা সমাপ্ত করে তিনি প্রেসিডেন্সি কলেজে অধ্যাপক হিসেবে যোগ দিয়েছেন। বেঙ্গল কেমিক্যাল প্রতিষ্ঠাকালে তাঁর বয়স ৩১ বছর। এছাড়াও তাঁর অনুপ্রেরণায় কতশত ব্যবসা-বাণিজ্যের সূত্রপাত যে এদেশে হয়েছে তার ইয়ত্তা নেই। আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র তাঁর সমগ্র জীবনে যত প্রবন্ধ লিখেছেন বা স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে যত বক্তৃতা দিয়েছেন সেইসব রচনা/বক্তৃতার একটা বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ব্যবসার মাধ্যমে বাঙালি জাতিকে স্বনির্ভর করার প্রেরণা।

তেমনই তিনটি কালোত্তীর্ণ রচনা ‘বাঙ্গালীর মস্তিস্ক ও তাঁহার অপব্যবহার’, ‘অর্থনৈতিক সমস্যা – বাঙ্গালী কোথায়?’ এবং ‘বাঙ্গালী – মরণের পথে (অর্থনৈতিক সমস্যা)’ বর্তমান সংকলনের উপজীব্য।

বইটি সম্পাদনা করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক এবং প্রাক্তন বিভাগীয় প্রধান Rajarshi Ghosh। বর্তমান পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে হয়ত প্রফুল্লচন্দ্রের সমস্ত বক্তব্যের সাথে আমরা সহমত নাই হতে পারি। আবার বলি বর্তমান পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে। কিন্তু এ কথা অস্বীকার করার কোনও উপায় নেই ব্রিটিশদের কেরানী বা বাবু বাঙালিকে অন্য এক উত্তরণের পথ দেখিয়েছিলেন তিনি। সে পথ স্বাধীনতার পথ। তাঁকে অস্বীকার করা বা উপেক্ষা করার কোনও জায়গা নেই।

 

Weight 0.5 kg
Binding

ISBN

Pages

Language

Reviews

There are no reviews yet.

Only logged in customers who have purchased this product may leave a review.

Recently Viewed

  • Recently Viewed Products is a function which helps you keep track of your recent viewing history.
    Shop Now