বৌদ্ধধর্মের অভ্যুদয়ের বহু পূর্বে পরলোকগত পূর্বপুরুষদের অস্তিত্বে হিন্দুরা বিশ্বাস করতেন। হিন্দুদের এই চিরন্তন বিশ্বাসের ওপর নির্ভর করেই বৌদ্ধধর্মে প্রেতলোক শেত বা আত্মার অস্তিত্ব স্বীকার করা হয়েছে। পরলোকে দুঃখদুর্দশার হাত থেকে মুক্তিলাভের জন্য সাধারণ বৌদ্ধধর্ম-বিশ্বাসীরা যাতে ইহলোকে সৎকর্ম পুণ্যকর্মে যুক্ত থাকেন— এই উদ্দেশ্যেই প্রেত-সংক্রান্ত নানা কাহিনি বলা হত। এইসব উপাখ্যানের সবই প্রায় অবিশ্বাস্য, অবাস্তব। কিন্তু এই গল্পগুলি বুদ্ধের বাণীতে বিশ্বাসবান মানুষকে কাজে ও কথায় ধর্মভ্রষ্ট হতে দেয়নি। তাদের মানুষের প্রতি দয়ায় ও অহিংসায় অনুপ্রাণিত করেছে।













– SANDEEP SAHA (verified owner)
Rated 4 out of 5 stars