← Back to the book
4.7 13 ratings
  • 5 ★77%
  • 4 ★15%
  • 3 ★8%
  • 2 ★0%
  • 1 ★0%

Customers say

Readers love this book — 92% of ratings are 4 stars or more. They especially praise the print & paper and writing.

Tap a topic to see the reviews that mention it

Summarised from 8 customer reviews

  1. – AVIRUP B (verified owner)

    Rated without a comment

  2. – Somashree Bhowmik (verified owner)

    Rated 5 out of 5 stars

  3. – Subhodeep Das (verified owner)

    Nice book quality for real although I haven’t read that now…

  4. – PARAMITA MONDAL (verified owner)

    Rated 5 out of 5 stars

  5. – RAJU MAJUMDAR (verified owner)

    Rated 5 out of 5 stars

  6. – Souman ghosh (verified owner)

    Rated 3 out of 5 stars

  7. – Srabanti Das (verified owner)

    Packaging is good,delivered timely..love to purchase more infuture.

  8. – Apratim Roy (verified owner)

    Good one

  9. – itikadishita10 (verified owner)

    অসাধারণ

  10. – itikadishita10 (verified owner)

    অসাধারণ একটা লেখনী।

  11. – sahasubhankar360 (verified owner)

    রুদ্র প্রিয়ম সিরিজের একনিষ্ট পাঠক রুপে অন্যান্য অংশের ন্যায় এই অংশটা একটু কম ডিটেইল্ড লাগল, আমার মনে হল এটাতে আরো একটু কম্পলেক্সিটি হলে বিষয়টি আরো উপোভোগ্য হতো। তাছাড়া শেষে সভ্যতা এখোনো এক য়ুগ দেরি অংশটার য়োগসাধন টাও বড্ড ফিকে লাগলো, ওটা আর সুন্দর করে আরো একটু বড় করে য়োগসাধন করলে এই অংশটা আরো অনবদ্য হতো।
    By the way big fan of Debarati madam.

  12. – Sumedha Chattopadhyay (verified owner)

    ‘রোমথা’ এবং কিছু অনুভূতি
    সুমেধা চট্টোপাধ্যায়

    কিছু কিছু বই এমন হয় পড়ার পর মন আকুল হয় তার পাঠ-অনুভূতি লেখার জন্য। গত পরশু থেকে শুরু করে আজ শেষ করলাম দেবারতি মুখোপাধ্যায়ের লেখা রুদ্র-প্রিয়ম সিরিজের বই ‘মৃত্যু যখন দুবার আসে’। এটি পড়ার পর থেকে এমনই অনুভূতি হচ্ছে। তাই রিভিউ নয়, এই বই পড়ে মনের অনুভূতিটূকুই লিখলাম।স্কুলের এক বন্ধু তিতির দেবারতির একনিষ্ঠ পাঠক। সে আমাকে বার বার বলেছিল একটা রুদ্র-প্রিয়ম সিরিজের বই পরে দেখতে। আগের গুলো পরা নেই। তাই এই নতুন বই দিয়েই শুরু করলাম। বেশ কিছু গুরু-গম্ভীর বই পড়ার পর মাঝে মাঝেই আমার ইচ্ছা হয় গোয়েন্দা বা অ্যাডভেঞ্চার গোত্রের কোনও বই পড়ত। তাই এবার হাতে তুলে নিয়েছিলাম সদ্য প্রকাশিত এই বইটি। আরও একটি কারণ ছিল এই বইটির প্রতি আগ্রহের পিছনে। তা হল মালদা আমার খুব প্রিয় জায়গা। আমার পিসির বাড়ি। গৌড়, আদিনা, লুকোচুরি দরওয়াজা সব অনেক ছোটবেলায় দেখা। তাই সেগুলো একটা উপন্যাসে আবার মানসচক্ষে দেখতে পাব ভেবেই রোমাঞ্চিত হয়েছিলাম।

    রুদ্র অর্থাৎ রুদ্রাণী এখানে মালদা সদরে একজন এএসপি। খুব ব্যস্ত তাঁর জীবন। দত্তক নেওয়া কন্যা এবং স্বামী প্রিয়মের সঙ্গেও তাঁর ভালো করে বসে কথা বলার সুযোগ হয় না। তাও সে চেষ্টা করে। কাজের মারাত্মক চাপের মধ্যে থেকেও সে বার বার ফিরে আসে কাছের মানুষগুলোর কাছে। চেষ্টা করে তাদের সুখ-দুঃখও ভাগ করে নিতে। দেবারতি নিজে মাল্টি-টাস্কিং এবং অত্যন্ত দায়িত্বশীল মনোভাবের হওয়ার কারণে রুদ্রাণীর চরিত্রের এই দিকটি খুব সুন্দর করে ফুটিয়ে তুলেছে লেখায়।

    ইতিহাস, বিজ্ঞান ও রোমাঞ্চের সঠিক অনুপাতের মিশ্রণে ঘটনার জাল ছড়াতে থাকে। মালদা শহরে একের পর এক ব্যক্তি, পুরুষ-নারী নির্বিশেষে উধাও হতে থাকে। কারওর মধ্যে হতে থাকে নানা পরিবর্তন। ঘটনার অভিঘাত এমনই যে তা ঢুকে পড়ে খোদ এএসপি’র অন্দরমহলে। বর্তমানের ঘটনা প্রবাহের সঙ্গে সমান্তরালে দেবারতি লিখেছেন সেন রাজবংশের আমলের এক গায়ে কাঁটা দেওয়া প্রথার কথা — ‘রোমথা’। প্রাচীন আয়ুর্বেদ-শাস্ত্রে রোমথাদের অবদান অপরিসীম। তাদের জীবনে মৃত্যু কিভাবে দুবার আসে? জানার জন্য পাঠকের মনে তৈরি হয় এক অদ্ভুত উঠকণ্ঠা।
    একদিকে রুদ্রাণী রহস্যের জট ছাড়াতে থাকে ধীরে ধীরে, অন্যদিকে দেবারতির কলমে আমরা পড়তে থাকি সেন বংশের আমলে বাংলার রাজধানী গৌড়ের প্রায় আটশো বছর আগের ইতিহাসের নানা অজানা কাহিনী। দুটি যুগকে সমান্তরালে এত সুন্দর করে তুলে ধরেছে দেবারতি এবং এত সাবলীল ভাবে অল্টারনেট চ্যাপ্টারে দুটো পাশাপাশি লিখেছে যে পাঠককে তা একদম খেই হারাতে দেয় না, বরং মেরুদণ্ড সোজা করে বসে উত্তেজনায় টানটান করে রাখে। প্রাচীন বাংলার এক বিলুপ্ত প্রথার সঙ্গে আস্তে আস্তে মিলে যায় এযুগের এক সিরিয়াল কিলিং-এর আখ্যান। অপরাধীরা যেমন যুগে যুগে ফিরে আসে তেমনই বিলুপ্ত প্রথাও যেন অপরাধীদের হাত ধরে আবার নিজরূপ ধারণ করে।
    দেবারতির লেখনী নিয়ে বেশি কিছু বলা আমার মতো একজন সামান্য পাঠকের কাছে ধৃষ্টতা। ওর লেখা আমি যতটা না ভালোবাসি, মানুষ হিসেবে ওকে admire করি অনেক বেশি। ওর প্রত্যেকটি বইএর মতো এটিতেও অসম্ভব পড়াশুনো এবং অধ্যাবসায়ের ছাপ স্পষ্ট। অতিরিক্ত তথ্যের ভারে কখনও ভারাক্রান্ত লাগে নি, আবার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটকে বজায় রাখতে নানা ঘটনা এবং ফ্যাক্টের উল্লেখ যথাযথ মাত্রায় হয়েছে। পারফেক্ট ব্যালেন্স। আমার বন্ধুর কথা একদম যথাযথ ছিল।
    আমার এই বইটি ভালো লাগার আর একটি ব্যক্তিগত কারণও আছে। সেটি হল আগে থেকে না জানলেও পড়তে গিয়ে দেখি একটি বেশ প্রাধান্যযুক্ত চরিত্রের নাম সুমেধা। প্রত্যেকবার নামটি এসেছে যখন বেশ মজা লেগেছে।
    প্রত্যেকটি ঘটনা বিশেষ করে ঐতিহাসিক অধ্যায়গুলি যেন চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছিলাম, আর চোখের সামনে ফুটে উঠছিল আদিনা, লুকোচুরি ইত্যাদি। বিশেষ করে বইটির শেষের দিকে এক পূর্ণিমার রাতে আদিনাতে রুদ্রাণী এবং তাঁর কন্যা অজেয়ার অন্তরঙ্গ কথোপকথনের একটি দৃশ্যের বর্ণনা করা আছে, আমার এই অধ্যায়ে দেবারতির লেখনী এক অন্য মাত্রা পেয়েছে বলে মনে হয়েছে।
    পাতার মান এবং বইটির উপস্থাপনা, বাইন্ডিং খুব ভালো। দু-একটি ব্যতীত মূদ্রণ-প্রমাদ আমার চোখে পড়ে নি।
    সবশেষে দেবারতিকে আমার আন্তরিক ধন্যবাদ এইরকম একটি অজানা এবং রোমহর্ষক ঐতিহাসিক প্রথার কথা এক প্রাসঙ্গিক হত্যাকাণ্ডের মোড়কে এমন মুন্সিয়ানার সঙ্গে আমাদের কাছে পরিবেশন করার জন্য। তোমার কলম দীর্ঘজীবী হোক।

  13. – sahinur4065 (verified owner)

    বইটি সত্যিই অসাধারণ

Recently Viewed

  • Recently Viewed Products is a function which helps you keep track of your recent viewing history.
    Shop Now