নেতাজির আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে হিমাংশু শেখর গাঙ্গুলী আজাদ হিন্দ ফৌজে যোগ দেন। সেখানে নারী বাহিনীর সদস্য ইন্দুবালা দেবীর সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।
ইন্দুবালা দেবী স্বাধীনতা সংগ্রামীদের হয়ে গুপ্তচরের কাজ করতেন। স্ত্রীর কাজের জন্য হিমাংশু শেখর এমন একটি মাইক্রো ভিডিও ক্যামেরা বানিয়েছিলেন, যা কানের দুলের মধ্যে ভরে রাখা যেত। সেই ক্যামেরার ডিভাইজটা থাকত বিপ্লবীদের কাছে।
ইন্দুবালা দেবী ব্রিটিশ সেনাবাহিনীদের শিবিরে পরিচারিকা সেজে খবর আদান-প্রদান করতেন। তারপর একদিন তিনি ধরা পড়েন। জেলের মধ্যে ব্রিটিশ সৈন্যের অত্যাচারেই তিনি মারা যান।
সরকারি বিভিন্ন কাজকে উপেক্ষা করে নিজেকে ব্যস্ত রাখতে শব্দ সংগ্রহের কাজে গড়ে তোলেন এক বিরল সংগ্রহশালা-‘শব্দবাগান’। যেখানে আছে রেডিওর প্রাচীন কাল থেকে বর্তমান কালের সব রকম পার্টস, বিভিন্ন রকম রেকর্ড, দুষ্প্রাপ্য বাজনা ইত্যাদি। হঠাৎ করেই ‘র’-এর কাজ শেষ করেন, সেই দিনই তাঁকে খুন করার চেষ্টা করা হয়। ভাগ্যজোরে বেঁচে গেলেও সারা জীবনের জন্য অন্ধ হয়ে যান।
এরপর প্রায় বছর দশক পরে হিমাংশু শেখর মারা যান। পোস্টমর্টেমে শরীরে বিষ পাওয়া যায়। এত বয়স্ক একজন মানুষকে কে খুন করল? তদন্তে আজাদ হিন্দ ফৌজের অনেক গুরুত্বপূর্ণ অথচ অনেক না-জানা কথা জানতে পারা যায়। কিন্তু সব ঘটনা আবর্তিত হতে থাকে সেই মাইক্রো ক্যামেরাকে ঘিরে।
সত্যিই কি পাওয়া যাবে, স্বাধীনতা সংগ্রামের সেই মাইক্রো ডিভাইসকে? কী আছে তাতে? ইতিহাসের সঙ্গে বর্তমানের মেল বন্ধন হয়েছে এই উপন্যাসে।









– Nirmalya Chakraborty (verified owner)
Rated 4 out of 5 stars