এই রকম উদ্যোগ বাংলা ভাষায় আগে হয়নি। যোগীন্দ্রনাথ সরকার ‘হাসিখুশি’ গ্রন্থে বর্ণপরিচয় শিক্ষার জন্যে ছড়া লিখেছিলেন। স্বরবর্ণ শিক্ষার জন্যে ‘অ–এ অজগর আসছে তেড়ে’ থেকে ‘ঔষধ খেতে মিছে বলা’— এই ক’টি পঙ্ক্তি আছে। এই সংকলনে প্রতিটি পঙ্ক্তি নিয়ে একটি করে গোয়েন্দা কাহিনি লেখা হয়েছে, যেগুলির কেন্দ্রে রয়েছে সুনীল সেন। বাংলায় গোয়েন্দা কাহিনির দীর্ঘ ও বৈচিত্রময় ঘরানায় সুনীল সেন নতুন সংযোজন। শখের গোয়েন্দাদের সঙ্গে তার তফাত আছে। সুনীল একটি প্রাইভেট ডিটেকটিভ সংস্থা চালায়, যার নাম ‘এজেন্সি’। হেড অফিস কলকাতায় হলেও সারা ভারতে এজেন্সির দশটি শাখা আছে। পুলিশ যে–সব সংবেদনশীল তদন্তে সরাসরি ঢুকতে পারে না বা চায় না, সেইসব ক্ষেত্রে ঢুকে পড়ে সুনীল। শখের গোয়েন্দা আর পুলিশি তদন্ত— কল্পনা আর বাস্তব— এই দুই বিপরীতমুখী জগতের মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে গোয়েন্দা কাহিনিগুলি।
ইন্দ্রনীল সান্যালের জন্ম হাওড়ার বালিতে, ১৯৬৬ সালে। নীলরতন সরকার মেডিকেল কলেজ থেকে এম বি বি এস। প্যাথলজিতে এম ডি, পিজি হাসপাতাল থেকে।সরকারি চাকরির সূত্রে কাজ করেছেন সুন্দরবনের প্রত্যন্ত প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে মহাকরণের ডিসপেনসারিতে, লালবাজার সেন্ট্রাল লকআপ থেকে গঙ্গাসাগর মেলার হেল্থ ক্যাম্পে।বর্তমানে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত।প্রথম প্রকাশিত গল্প ২০০৪ সালে ‘উনিশকুড়ি’ পত্রিকায়।শখ: বই পড়া, ফেসবুকে ফার্মভিল এবং হ্যাপি অ্যাকোয়ারিয়াম খেলা, সুদোকু সমাধান।




















Reviews
There are no reviews yet.