রবীন্দ্রনাথের ৬৭ বছর বয়েসে লেখা সবচেয়ে আলোড়িত উপন্যাস ‘শেষের কবিতা’। যে উপন্যাসের কোনো শেষ নেই। আজও তার ভাষা, তার আঙ্গিক এইসময়ের উপন্যাসের সঙ্গে পাল্লা দিতে পারে।
ভালোবাসাকে নির্দিষ্ট সংখ্যা বা গণ্ডিতে বেঁধে রাখা যায় না। তাকে বয়ে যেতে দিতে হয়, উড়তে দিতে হয় আকাশের মুক্ত বিহঙ্গের মতোই।
কিন্তু দৈনন্দিন জীবনে ভালোবাসার আচরণ একটু অন্যরকম, অনেকটাই আটপৌরে। আটপৌরে বলে তার গুরুত্ব কমে যায় না, বরং জীবনটাকে বেঁধে রাখে এই আটপৌরে প্রেমের অভ্যেস। অন্যদিকে থাকে সীমাহীন বিস্তৃত প্রেম, নিজেকেই যাতে হারিয়ে ফেলা যায়। এ প্রেমের তল পাওয়া যায় না, আকণ্ঠ নিমজ্জনে তাতে শুধু সাঁতরে বেড়ানো যায়।
শিলং-এর পাহাড়ঘেরা সবুজ বন, উচ্ছল ঝরনা, অপার প্রকৃতির দুই বিপরীত মেরুর বাসিন্দা অমিত আর লাবণ্যের আশ্চর্য প্রেম। সে প্রেম কি পরিণতি পেল?…. শেষের কবিতা ১৩৩৫ বঙ্গাব্দে প্রবাসী পত্রিকায় ধারাবাহিক প্রকাশিত। পরের বছর ১৩৩৬-এ বই হয়ে বেরোল।… সাড়া পড়ে গেল সব মহলে। এ কী কাহিনি লিখলেন বিশ্বকবি এই বৃদ্ধ বয়েসে পৌঁছে? এখনও এত আগুন, এত ভালোবাসা ?…



















– Pallabi Roy (verified owner)
Rated 5 out of 5 stars