লেখক প্রাক্ স্বাধীনতা যুগে সামাজিক সীমাবদ্ধতা উপেক্ষা করে বাংলার ছাত্রীদের স্বাধীনতা আন্দোলনে সঁপে দেওয়ার কাহিনী বর্ণনা করতে চেয়ে জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিকথা বা ব্রাহ্মসমাজের তরুণ নেতা কেশবচন্দ্র সেনের ‘ ইণ্ডিয়ান রিফর্ম অ্যাসোসিয়েশনের’ ‘ স্ত্রী জাতির উন্নতি সাধন বিভাগের’ কথা থেকে শুরু করে ‘ অনুশীলন ‘, ‘ যুগান্তর ‘ প্রভৃতি বিপ্লববাদী গোষ্ঠীর কাজে মেয়েদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাসহ প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের ‘ বিপ্লব দীর্ঘজীবী হোক ‘ এই আশা পোষণ করে আত্মাহুতির কাহিনী তুলে ধরেছেন।
বাংলার ছাত্রীসমাজের স্বাধীনতা সংগ্রামে নির্দিষ্ট ভূমিকা নির্ণয় করার জন্য লেখক সুন্দরভাবে (১) জাতীয় বিপ্লববাদী ধারা (২) জাতীয় কংগ্রেসের গান্ধীবাদী ধারা (৩) কমিউনিস্ট পার্টি পরিচালিত সাম্যবাদী গণআন্দোলনের ধারা অর্থাৎ ত্রিধারার ছাত্রীদের অবস্থানকে ব্যাখ্যা করেছেন।
স্বাধীনতা সংগ্রামে বাংলার ছাত্রীসমাজকে তুলে ধরতে লেখক ছাত্রী সংগঠনের আদিপর্ব থেকে শুরু করে ছাত্র ফেডারেশনের ভূমিকা সহ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন স্বনামধন্য ছাত্রীদের নাম উল্লেখ করে তাদের কার্যাবলীকে সে সময়ে কিভাবে সাধারণ নারীসমাজকে আকৃষ্ট করতে সাহায্য করেছিল তার বর্ণনা দিয়েছেন।


















Reviews
There are no reviews yet.