দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে প্রথম পূর্ণ স্বরাজের দাবি উত্থাপন করেন দুজন কমিউনিস্ট, মৌলানা হসরৎ মোহানী ও স্বামী কুমারানন্দ ১৯২১ সালে আহমেদাবাদে অনুষ্ঠিত কংগ্রেসের অধিবেশনে। কংগ্রেস দলের নেতারা তখন পূর্ণ স্বরাজ নয়, ‘ডোমিনিয়ন স্ট্যাটাস’ বা ‘স্বায়ত্তশাসনের’ পক্ষে ছিলেন।
এরপর প্রায় দীর্ঘ ৮ বছরের লড়াইয়ের ফসল ছিল ১৯২৯ সালে লাহোর অধিবেশনে গৃহীত ‘পূর্ণ স্বরাজের প্রস্তাব’। এই লড়াইয়ের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ছিল তৎকালীন বিপ্লববাদী নেতৃত্ব ও কমিউনিস্টদের।
নানা সময়ে স্বাধীনতার লড়াইয়ে কমিউনিস্টরাও গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা পালন করেছেন, যা এখন ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে অতি দক্ষিণপন্থী আরএসএস অনুগামীদের পক্ষ থেকে। অথচ এরা স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশগ্রহণ করেনি।
এইসব তথ্য বিভিন্ন প্রবন্ধের মাধ্যমে অদ্ভুত মুন্সিয়ানায় তুলে ধরেছেন গণআন্দোলনের নেতা কমরেড সুজন চক্রবর্তী । দীর্ঘ লড়াই, ত্যাগ, তিতিক্ষার শেষে স্বাধীনতা আমরা পেয়েছি ঠিকই, কিন্তু ভুলে গেলে চলবে না তা দেশভাগের তীব্র যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে এসেছিল ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট।
‘দেশপ্রেম, বাংলাভাগ ও তারপর’ শীর্ষক এই প্রবন্ধ সংকলনে লেখক সুজন চক্রবর্তী নিজের কমিউনিস্ট জীবন ও গণআন্দোলনের অভিজ্ঞতায় তেরোটি প্রবন্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা সংগ্রামের কথা, দেশপ্রেমের কাহিনী তুলে ধরেছেন । তুলে ধরেছেন রাজ্যের বঞ্চনার দীর্ঘ ইতিহাস ও কমিউনিস্টদের দায়বদ্ধতার প্রসঙ্গ।









Reviews
There are no reviews yet.