অবতারবরিষ্ঠ শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের পুণ্য লীলাভূমি দক্ষিণেশ্বরের গঙ্গা তীরে অবস্থিত ভবতারিণীর সঙ্গে তার কত লীলাখেলা চলেছে, কলির এই শ্রেষ্ঠ তীর্থে, কখনো বা রাস্তায় মুখ ঘষে দেখা দে মা, দেখা দে’ বলে কাতর প্রার্থনা জানিয়েছেন, বিস্ময়ে চারপাশে দাঁড়িয়ে গেছেন মানুষ।
ঠাকুর রামকৃষ্ণ নানান গল্পে কখনো বা উপদেশের মাধ্যমে বলেছেন। আবার কখনো গল্পের ছলে অমৃতবাণী বলেছেন। তার কিছু অংশ শ্রীম তার কথামৃততে লিখে রেখেছেন। লোক শিক্ষা কথা যেমন আছে তেমনিই আছে বৈদিক শাস্ত্রের নানান জটিল তত্ত্বের সহজ ব্যখ্যা। নানান ধর্মের প্রকৃত কথা। নানান নীতিকথার মালা। গল্পের ছলে জলবত তরল করে তা ঠাকুর বুঝিয়ে দিতেন ভক্তদের। তাঁর কথা শুনতে ঈশ্বরচন্দ্র থেকে দেবেন্দ্রনাথ সবাই তাঁর কাছে গেছেন। মুগ্ধ হয়েছেন তাঁরা। সেই সময় কে যাননি তাঁর কাছে। আবার মাতাল নাট্যকার। গিরিশ তাঁর কাছে ছুটে গেছেন বার বার। নরেন্দ্রনাথ করেছেন নানান পরীক্ষা। হাসি মুখে তিনিও দিয়েছেন নরেনের কাছে পরীক্ষা।
তাঁর বলা কিছু গল্প আমাদের কাছে পরিচিত। বেশ কিছু গল্প বড্ড অপরিচিত। অথচ তার ভয়ানক প্রয়োজন আজকের সমাজ ব্যবস্থায়।
হানাহানি এবং স্বার্থপরতার বিশ্বে অবতার বরিষ্ঠ রামকৃষ্ণ প্রবাহমানকাল ধরে প্রাসঙ্গিক। তাঁর কথা আমাদের কাছে ক্রমশ উত্তরোত্তর নিত্যসঙ্গীতে পরিণত হচ্ছে।
ঠাকুরের অমৃতবাণী আজ দৈনা, অসুস্থ এবং ধর্মান্ধ পৃথিবীতে
আবার প্রয়োজ
ঠাকুরের নানান কথা নিয়ে এই গ্রন্থ প্রণয়ন করা হয়েছে। নতুন ভাবে নতুন প্রজন্মর কাছে তার প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরতে এবং তাঁর বাণী ধর্ম, জাতি নির্বিশেষে জানা অন্তত প্রয়োজন আজ। শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণের অমৃতসম করা সবার কাছে পৌঁছে দেওয়াই এই গ্রন্থ রচনার প্রধান উদেশ্য।
















Reviews
There are no reviews yet.